Blue Flower

তাপমাত্রা:

বঙ্গবিদ্যা সম্মেলন চলাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার গড় তাপমাত্রা থাকবে ১৬-২০। সকালে ও রাতে তাপমাত্রা কম থাকবে। ঢাকার চেয়ে জাহাঙ্গীরনগর ও তার আশেপাশের এলাকায় সবসময় ২ ডিগ্রি কম তাপমাত্রা থাকবে। সবাইকে শীতের পোশাক সঙ্গে আনার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বিমানে আগমন যাদের:

যারা বিমানযোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পৌছুবেন, তাঁদের জন্য ২৪ তারিখ  দুপুর ১২.৩০ মিনিট থেকে একটি বাস ও একটি মাইক্রোবাস থাকবে, যা জাহাঙ্গীরনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। ২৫ তারিখে সকাল ৭.৩০ মিনিটে, ১১ টায়, ৩ টা থেকে তিনটি বাস/মিনিবাস/মাইক্রোবাস জাহাঙ্গীরনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। বিমানবন্দরে প্রথম দুই দিন (২৪ ও ২৫ তারিখ) সকাল-সন্ধ্যা ‘বঙ্গবিদ্যা’ বা ‘ICBS5’ নামক প্লেকার্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবেন। 

কোনো কারণে যোগাযোগ না করা গেলে আমাদের কেন্দ্রীয় সম্বনয় কক্ষে ফোন  করবেন (ফোন নম্বর : মামুন অর রশীদ, ০০৮৮ ০১৭৮২০৪০০৪০)।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের বাস ছাড়া যদি কেউ বিমানবন্দর  এলাকা থেকে জাহাঙ্গীরনগর আসতে চান, তাহলে প্রথমে বিমানবন্দরের সামনের স্টপেজ ‘তেতুলিয়া’, ‘প্রজাপতি’, ‘বসুমতি’, জাবাল-এ নুর’ বাস দিয়ে  মিরপুর ১০/ টেকনিক্যাল/ গাবতলী যেতে হবে । সেখান থেকে থেকে ‘ইতিহাস’/ ‘ওয়েলকাম’,‘ঠিকানা’ বাসযোগে জাহাঙ্গীরনগর পৌঁছুবেন।

বাসযোগে আগমন:

পেট্রোপোল/হরিদাসপুর/ বেনাপোল/গেদে দিয়ে যারা বাস যোগে আসবেন তারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গেটে নামতে পারবেন। বাসের ম্যানেজারকে বললে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে বাস থামাবে এবং নামিয়ে দেবে।

তামাবিল/আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে যারা আসবেন, তারা কল্যাণপুর/গাবতলী থেকে বাসযোগে জাহাঙ্গীরনগর আসবেন।

ট্রেনযোগে আগমন:

যারা ট্রেন যোগে গেদে/ কুষ্টিয়া দিয়ে প্রবেশ করবেন, তারা বিমান বন্দর স্টেশন (উত্তরা)-এ নামবেন, বিমান বন্দরের সামনে অপেক্ষমাণ বাসযোগে  জাহাঙ্গীরনগর আসবেন।

প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর

কোনো কারণে যোগাযোগ না করা গেলে আমাদের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কক্ষে ফোন  করবেন (ফোন নম্বর : ২০ তারিখে প্রকাশ করা হবে)। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ : খালেদ হোসাইন (ফোন নম্বর: 0088 01754262323 ), মামুন অর রশীদ (ফোন নম্বর:0088  01782040040 ), রফিক উল্লাহ খান (0088 01715150685) এর সাথে যোগাযোগ করবেন। সেকশন অনুয়ায়ী অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের ফোন নম্বর ২০ তারিখে ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে।

থাকা বিষয়ে :

পঞ্চম বঙ্গবিদ্যা সম্মেলন আয়োজকবৃন্দ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই একটি ডরমেটরিতে ২৫০ জন অতিথি থাকার ব্যবস্থা করেছে। সবগুলো ‘কক্ষই শেয়ারড রুম’। কেবল আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য কক্ষ সংরক্ষিত রয়েছে। সিনিয়র স্কলার, পেপার প্রেজেন্টাররা তাঁদের কক্ষ পছন্দ করারক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। অন্য সকল অতিথিরা স্বল্পমূল্য পরিশোধ করে থাকতে পারবেন। ডরমেটরির কক্ষগুলো বিলাসশ্রেণির নয়। তবে ডরমেটরিটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, ওয়াইফাই, লিফটযুক্ত। প্রাতভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। ডরমেটরিতে আলাদা নারীদের জন্য ফ্লোর, পুরুষদের জন্য ফ্লোর রয়েছে। কক্ষ বণ্টনের ক্ষেত্রে আয়োজকদের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ডরমেটরিতে  সকালের নাশতা ও রাতের খাবার নির্দিষ্টমূল্যে সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিনের দুপুরের খাবার (ওয়ার্কিং লাঞ্চ) ও ২৬ তারিখের ডিনার আয়োজক কর্তৃপক্ষ পরিবেশন করবে।

মিরপুর-১ এ অবস্থিত প্রিন্স হোটেলে সাধারণত অল্প খরচে বিদেশিরা থাকেন। এরচেয়ে কমে ভালো মানের হোটেল পাওয়া কঠিন। হোটেলের সামনে থেকে জাহাঙ্গীরনগরের যায় এমন বাস, ‘ইতিহাস/তিতাস’ বাস পাওয়া যায়। যারা একা সিঙ্গেল রুম, বা পরিবারসহ আরামদায়কভাবে হোটেলে থাকতে চান, তারা এই হোটেলটি বেছে নিতে পারেন। সম্মেলনের বাস হোটেলটির সামনে দিয়ে আসা-যাওয়া করবে।

কনফারেন্স কিট:


যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা কনফারেন্স কিট পাবেন। এতে একটি ব্যাগে বুক অব অ্যাবস্ট্রাকট, লাঞ্চের কুপন, স্ন্যাকস কুপন, আইডেনটিটি কার্ড, ডাইরি/প্যাড, কলম থাকবে। অ্যাকাডেমিক সেশনে সেশন-চেয়ার ও পেপার প্রেজেন্টারদেরকে মেমেন্টো, সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

 

অ্যাকাডেমিক সেশন সংক্রান্ত:

সকল পেপার প্রেজেন্টারদের পাওয়ার পয়েন্ট / অথবা এক পৃষ্ঠার সার-ক্ষেপ ৪০ কপি আনয়নের অনুরোধ করা হচ্ছে। কোনোভাবেই নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে উপস্থাপনা করা যাবে না।

রেজিস্ট্রেশন:

কোনো স্পট রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই। প্রেজেন্টারের পরিবারের সদস্যবৃন্দ টোকেন মানির বিনিময়ে লাঞ্চ সংগ্রহ করতে পারবেন (সীমিত সংখ্যক)। পরিবারের সদস্যদের জন্য কোনো কনফারেন্স কিট প্রদানের সুযোগ নেই।

আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।